বৃহঃস্পতিবার, ৩রা সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯শে ভাদ্র ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল daajkaal@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • রাশিয়ার তেল শোধনাগারে ভয়াবহ হামলা
  • বেইজিং যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
  • দুপুরে আড়াইটায় সংসদ ভবনে সরকারি দলের সংসদীয় সভা
  • যুদ্ধবিমানের ক্রুকে উদ্ধারে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্রের দুই বিমান ধ্বংস
  • দোকানপাট-শপিংমল খোলা থাকবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত : প্রতিমন্ত্রী
  • চাঁদপুরে পানিতে ডুবে প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের
  • ইরান যুদ্ধের ইস্যুতে অবস্থান স্পষ্ট করলেন স্টারমার
  • রোববার থেকে শুরু হচ্ছে হামের টিকাদান কর্মসূচি

ইউএনও অফিসে চেক জালিয়াতি করে ৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ ২ কর্মচারীর

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২১ জুলাই ২০২৫, ১৮:০৮

রাজবাড়ী সদর উপজেলা পরিষদের দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতির মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গত ১৬ জুলাই রাজবাড়ী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মারিয়া হক স্বাক্ষরিত এক পত্রে তাদেরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়।

অভিযুক্তরা হলেন সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর শিল্পী খাতুন এবং জিপগাড়ির চালক মো. মজিবর রহমান মোল্লা।

অভিযোগে বলা হয়, ২০২৩ সালের ২ ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ৭ জুলাই পর্যন্ত সময়কালে মোট ৫টি চেক জালিয়াতির মাধ্যমে ৭ লাখ ৩৫ হাজার ৩০ টাকা আত্মসাৎ করেন ওই দুই কর্মকর্তা।

ইউএনও কার্যালয় সূত্র জানায়, শিল্পী খাতুন নিজের অপরাধ স্বীকার করে ৪ লাখ ৪৫ হাজার টাকা ফেরত দিয়েছেন উপজেলা পরিষদের কর্মচারীদের বেতনভাতা হিসাব নম্বরে। তবে এখনো ২ লাখ ৯০ হাজার টাকা ফেরত দেওয়া হয়নি।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ইউএনওর স্বাক্ষর ছাড়া চেক জালিয়াতির মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে শিল্পী খাতুন ও মজিবর রহমান একে অপরের যোগসাজশে টাকা উত্তোলন করে নিজেদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করেন। ইউএনও অফিস কাগজপত্র যাচাই করে এই অনিয়মের প্রমাণ পায়।

জিপগাড়ির চালক মো. মজিবর রহমান মোল্লা বলেন, আমার বেতনের অ্যাকাউন্টে ৫ দফায় ৩ লাখ ৬৮ হাজার ৯০০ টাকা ঢুকেছিল। শিল্পী খাতুন আমাকে বলেছিলেন এই টাকা তুলে তাকে দিতে। আমি সেটাই করেছি। ইউএনও স্যার আমাকে জিজ্ঞাসা করলে আমি সব খুলে বলি। তখন শিল্পী খাতুন স্যারের পা জড়িয়ে ধরে কেঁদে বলেন, তার ভুল হয়েছে।

শিল্পী খাতুন জানান, আমি ভুল করেছি, মজিবরের কথায় ভুল পথে গিয়েছিলাম। তবে আমি ইতোমধ্যে ইউএনও স্যারের নির্দেশ অনুযায়ী ৪ লাখ ৪৫ হাজার টাকা ফেরত দিয়েছি।

সোমবার বিকালে রাজবাড়ী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারিয়া হক জানান, অর্থবছরের শেষ দিকে কিছু কাগজপত্রের মাধ্যমে ওই টাকার অসঙ্গতি দেখতে পাই। যে কারণে ওই টাকা ফেরৎ দেওয়ার নির্দেশ দেন এবং তাদের কারণ দর্শনোর নোটিশ প্রদান করা হয়।

১০ কার্যদিবসের মধ্যে এর জবাব দিতে বলা হয়েছে। এর পর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ইউএনও-এর স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, তদন্ত চলছে। তদন্তের পর বলা সম্ভব হবে।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর